চরম প’র্যা’য়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সং’ঘা’ত, তবে কি শু’রু তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

1664

রাশিয়াকে পশ্চিমী দেশ গুলি যেমন (আমেরিকা, ব্রিটেন) বারংবার হুঁশিয়ার করেছিল । তবে সেই সব সতর্কবার্তাতে কর্ণপাতই করলেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়া গতকাল ইউক্রেনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিযন্ত্রণে থাকা ডোনেত্সক ও লুহানৎসকে স্বাধীন বলে স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া।

এরপর ডোনেত্সাকের সড়কে ট্যাঙ্কের দেখা মিলেছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিক দাবি করেন, যে তিনি অন্তত সাতটি ট্যাঙ্ক দেখেছেন ডোনেত্সলক। যদিও এই ট্যাঙ্ক কোন দেশের বা কোন পক্ষের, তা জানা যায়নি।

রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ট্যাঙ্কগুলির গায়ে কোনও লোগো ছিল না যা থেকে বোঝা যাবে যে এগুলি ইউক্রেন সেনার নাকি রাশিয়ার নাকি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের।

রাশিয়ার সেনা গতকাল ইউক্রেন সীমান্ত পেরিয়ে আসা পাঁচ ‘অন্তর্ঘাতকারী’-কে হত্যা করার দাবি জানায়। রবিবারই বেলারুশ ঘোষণা করে যে রাশিয়া তাদের দেশে সামরিক মহড়ার মেয়াদ বাড়াচ্ছে। এরপরই বিভিন্ন উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায় ইউক্রেন সীমান্তে আরও বেশি সংখ্যক অস্ত্র, জওয়ান মোতায়েন করেছে রাশিয়া।