Home বিদেশ শক্তিশালী হলো বাংলাদেশের সেনাবাহিনী! হাতে এলো ট্যাংক বিধ্বংসী অত্যাধুনিক মিসাইল

শক্তিশালী হলো বাংলাদেশের সেনাবাহিনী! হাতে এলো ট্যাংক বিধ্বংসী অত্যাধুনিক মিসাইল

541

শত্রুর বিরুদ্ধে ক্রমশই শক্তিশালী হয়ে উঠছে বাংলাদেশের সামরিক দপ্তর। সম্প্রতি, বাংলাদেশের সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হলো অটোমেটেড কামান এবং ট্যাংক বিধ্বংসী অত্যাধুনিক মিসাইল, যার আঘাতে শত্রুপক্ষের সেনাঘাঁটি নিমেষের মধ্যে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে শত্রুর বিরুদ্ধে আরও মজবুত করে তুলতে অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র, শব্দ শোনার অত্যাধুনিক রেডার সহ একাধিক অস্ত্র সেনা অস্ত্রাগারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বিশিষ্ট বাংলাদেশি সংবাদ মাধ্যম “প্রথম আলো”য় প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে খবর, সার্বিয়ায় তৈরি ১৫৫ মিলিমিটার স্বয়ংক্রিয় কামান যা প্রতিরক্ষা বিভাগের কাছে “নোরা বি-৫২ এসপি গান” হিসেবেই অধিক পরিচিত, সেই কামানটি সম্প্রতি বাংলাদেশের সেনা অস্ত্রাগারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। প্রতি মিনিটে পাঁচটি গোলা ছুঁড়তে সক্ষম এই কামানের পাল্লা ৪১ কিলোমিটার। এই বিশেষ অত্যাধুনিক কামানে একসঙ্গে ৩৬টি গোলা মজুত রাখা যায়।

বগুড়া সেনানিবাসের একমাত্র এসপি ইউনিট, আর্টিলারি কোরের ১১ এসপি রেজিমেন্টের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এই কামানটিকে সার্বিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। এছাড়াও রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত মেটিস এম-১ ক্ষেপণাস্ত্রটি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টকে প্রদান করা হয়েছে। ৮০০ মিটার পাল্লা বিশিষ্ট ট্যাংক বিধ্বংসী পিএফ-৯৮টি চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে।

এছাড়াও তুরস্ক থেকে একটি সাঁজোয়া যান যা নয়জন সেনা সমেত ঘণ্টায় প্রায় ১১৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে সক্ষম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “সাউন্ড রেঞ্জিং ইকুইপমেন্ট”ও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে এসেছে। এরমধ্যে “সাউন্ড রেঞ্জিং ইকুইপমেন্ট”টিকে বাংলাদেশের আর্টিলারি রেজিমেন্টের লোকেটিং উইংয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।