Home আঞ্চলিক কেন্দ্রের হটকারী সিধান্তে আলু পেঁয়াজের দাম নিয়ে বেকায়দায় বাংলা

কেন্দ্রের হটকারী সিধান্তে আলু পেঁয়াজের দাম নিয়ে বেকায়দায় বাংলা

429

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা থেকে আলু, পেঁয়াজের মতো অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাদ দেওয়ার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ফলাফল এবার হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলা। বিরোধীদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত করেই বর্তমান বাজারে আলু-পেঁয়াজের দাম ক্রমেই সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। খুচরো বাজারে ইতিমধ্যেই জ্যোতি আলুর দাম প্রতি কেজি ৩৬–৩৭ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রে বাজারদর মাত্রাতিরিক্ত বাড়লে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করে রীতিমতো নির্দেশ দিয়ে আলু পেঁয়াজের দাম কমানোর ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার প্রণীত নতুন আইন অনুসারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা থেকে আলু এবং পেঁয়াজ বাদ পড়েছে। যার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে।

পরিস্থিতি এমনই যে রাজ্য সরকার হিমঘরে মজুত রাখা আলু বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করার পরেও সমস্যা মিটছে না। তবে বঙ্গে আলু উৎপাদিত হলেও, পেঁয়াজের জন্য সম্পূর্ণভাবে ভিন রাজ্যের উপর নির্ভর করে থাকতে হয়। রাজ্যে পেঁয়াজ সংরক্ষণের সেরকম কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই রোজ প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টন পেঁয়াজ ভিন রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয় পশ্চিমবঙ্গকে।

রাজ্যের কৃষি অধিকর্তা প্রদীপ মজুমদার রীতিমতো হাল প্রায় ছেড়ে দেওয়ার সুরেই বলেছেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে আলু এবং পেঁয়াজকে বাদ রাখার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দরুন অগ্নি মূল্য বাজার। কিন্তু রাজ্য সরকারের এখানে কিছু করার নেই। সরকারি সূত্রে খবর, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত আলুর দাম এরকম চড়াই থাকবে। রাজ্য সরকারের কাছে যে পরিমাণ আলু মজুত করা ছিল, তাতে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাজারে আলু ছাড়া যাবে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি আধিকারিক।